তাদের সবার দৃশ্য দেখে কত ভালো লাগছে। আর এই "মা"ই কিনা একদিন আমাকে আর সাদ কে একা ফেলে চলে গিয়েছিল। সেই কথা মনে করলে আজ ও অন্তর কেপে উঠে। যখন আমি ৮ম শ্রেণী তে পড়ি তখন বাবা ঐ দূর আকাশে চলে গেলেন। তার পর ম্যাট্রিক পর্যন্ত পড়ে যখন কলেজে ভর্তি হলাম তখন পুরো পরিবার মিলে আমার পেছনে লাগলো যে আমাকে বিদেশ এ পাঠাবেন। কারন আমি "বাড়ির বড়" ছেলে। আর আমাদের অঢেল টাকা পয়সা ও নাই যে আমাদেত মন মতো চলবো। তখন আমার বয়স কত হবে আর ষোল কি সতের। আমি ও বুঝে উঠেছিলাম যে পড়ালেখা আর চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না। যে স্বপ্ন ছিল মনের মাঝে পড়ালেখা নিয়ে যে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হব সেটা আর পূরণ হবে না। বলতে বলতে ভিসা ও চলে আসলো একদিন। আমি ও বাড়তি চিন্তা না করে প্রবাসে পাড়ি জমালাম। প্রবাসে জীবন চলছিলো চলার মতন ই। কিন্তু ঘটনা ঘটলো বিদেশ যাওয়ার বছর খানেক পর। হঠাৎ করে একদিন নানু আমাকে ফোন দিলো আর বললো যে আম্মু কে আবার বিয়ে দিতে চান। এবং পাত্র ও ঠিক করে ফেলেছেন। সেই পাত্রের এক ছেলে ও আছে উনিশ কি বিশ বছর বয়সের। তার প্রাক্তন স্ত্রী কোন এক কারনে মারা গেছেন। নানু আমার মতামত চাচ্ছেন। আমি আর কি বলবো পাত্র সহ নিয়ে এসে আমাকে জিজ্ঞাস করছে যে আমার মতামত কি। কেন যেন আমার হাসি পেলো খুব"বেপার টা এমন হয়ে গেলো যে গলায় গামছা আর লুঙ্গি নিয়ে গোসলে যাওয়ার অনুমতি চাচ্ছেন!"। তখন সাদ বড় হয়েছে কিন্তু একা চলার মতন বড় নয়। তারা এটা চিন্তা করলো না যে এরকম কিছু ঘটলে সাদের কি হবে। ও কিভাবে নিজেকে একা একা সামাল দিবে।
No comments:
Post a Comment