Wednesday, November 4, 2026

ভাই-বোনের ভালবাসা

heart emoticon heart emoticon ভাই-বোনের ভালোবাসা heart emoticon heart emoticon লেখক:Murshid kuly khan >আপু তোরে একটা কথা বলি?(আমি) >হুম বল!(আপু) >আগে বল আমার কথা তুই রাখবি কিনা? (আমি) > ওই হারামজাদা!! প্যাঁচাল না পাইরা বল কি বলবি।(আপু) >আপু ৫০০ টাকা দে খুব দরকার(আমি) >ওই হারামজাদা এতো টাকা তুই কি করবি? (আপু) >কথায়-কথায় হারামজাদা বলবি না টাকা দিলে দে না দিলে দিস না।(আমি) >টাকা দিবো কিন্তু একটা শর্ত আছে!!! (আপু) >বল কি শর্ত(আমি) >সেদিন দেখলাম তুই কার সাথে ফোনে কথা বলছিস ওইটা ক্রে?(আপু) >ফোন তো কথা বলার জন্যই! তাই বলে আমি কার সাথে কথা বলছিলাম ওইটা তোকে বলা লাগবে কেন?(আমি) >৫০০ টাকা!!! তোরে না খুব দরকার তো দ্রুত বল কে ছিলো ওইটা?(আপু) >আরে ওইটা আমার ফ্রেন্ড রায়হান(আমি) >তাই নাকি! ফ্রেন্ডের সাথে জান তুমি কই? কি করছো এখন? খায়ছো? এভাবে কথা বলে বুঝি মানুষ।হায় আল্লাহ্!!! ফ্রেন্ডের সাথে কথা বলার নতুন রুলস্ শিখালি তুই আমারে।(আপু) >তো তো কি কি ভা ব্বে বলে শুনি?(আমি) >হারামজাদা চুপ সত্যি করে বল কে ছিলো ওইটা?(আপু) >আমি বলছি কিন্তু তোর পায়ে পরি প্লিজ আব্বুরে বলবি না!(আমি) >ওকে বলবো না তুই বল(আপু) [আল্লাহ তাইলে চিপায় পড়ে সত্যিই বলে দেয়া লাগবে!!! না জানি আমার কপালে আজ কি আছে। টাকা ৫০০ নিয়ে বাড়ি থেইক্কা বের হয়তে পারকেই হলো। আর বাড়িতে আসুম না।]আমি মনে-মনে বলছি। , , , , , >ওই হারামজাদা চুপ কেন? দ্রুত বল(আপু) >ওহ,,,,বলছি!!! আপু ওইটা হলো সুমা।(আমি) >ওই সুমা কে? কিসে পড়ে!!!দেখতে কেমন বল।(আপু) >আআআআপুু আমার লজ্জা করছে বলতে তুইতে সব বুঝেই গেছিস!! প্লিজ টাকাটা দে আজ সুমার সাথে দেখা করার কথা আছে সকাল ১০ টায়।(আমি) >ওকে যা পাগল বলা লাগবে না,,,,,তুই রেডি হয়ে আসেক আমি টাকা দিচ্ছি। (আপু) >লাভ ইউ আপু(আমি) >সুমারে কি এইডা এভাবে বলছিস না কি একটু রোমান্টিকভাবে! এইভাবে বললে কিন্তু কিছুই হবে না।(আপু) >হারামজাদী হেইডা তোরে বলবো কেন আমি কিভাবে বলছি।টাকা রেডি কর আমি আসছি।(আমি) , , , [আমি রেডি হতে গেলাম।জানি আপু আমাকে টাকা যেভাবেই হোক দিবেই।ওর কাছে না থাকলেও। জীবনে এইরাম একটা আপু সবার ভাগ্যে জোটে না। এইদিক থেইক্কা আমি অনেক ভাগ্যবান। এইসব ভাবতে-ভাবতে হঠাৎ আপু ডাক] , , , , >ওই হারামি তোর না দশটায় দেখা করার কথা?(আপু) >হুম্ম(আমি) >তো এখন কতো বাঁজে?না জানি বেচারি আপুটা কোথায় একা-একা দাঁড়ায় আছে!তাড়াতাড়ি যা হারামজাদা আর এইনে টাকা।(আপু) >ওরে দরদ!!!! নিজের ভাইরে ভুলে আমার বউয়ের প্রতি দরদ উতলাই উঠছে?(আমি >ওই তো বউ কে?(আপু) >কেকেকেকেন সুমামামা!!!(আমি) >হায় আল্লাহ বিয়া করলি কবে? আমি তোর বড় বোন আমারে একবার জানালিও না।(আপু) >এই যে ম্যাডাম!!! বিয়া করি না এখনো কিন্তু ভবিষ্যতে করমু তো।তাই আগে থেকেই ডাকছি আর কি,,,হি হি হি হি (আমি) >যা দ্রুত যা(আপু) >ওকে আপু বাই,,,, লাপ ইউ আফা,,,,গেলাম দোয়া করিস যেন সব মাইর মাটিতে পড়ে!!!(আমি) >ওই কি বললি মাইর মাটিতে পড়বে কেন? কে কাকে মারবে?(আপু) >আমি গেলাম রং নাম্বারে ফোন আসলে রিসিভ করিস। রং নাম্বারে ফোন আসলেই মনে করবি হাসপাতাল থেকে আসছে।(আমি দৌঁড়াতে-দৌঁড়াতে) >ওই মুর্শিদ ওই আমার কথা শুনে যা!!!(আপু গেটের কাছে আমার পিছু-পিছু এসে) , , , , [কিন্তু এখন আর আমার পিছে ফিরে তাকানোর সময় নেই। কারণ ইতিমধ্যে সুমার ১০ বার ফোন দেয়া হয়ে গেছে। আপুর সামনে বলেবরিসিভ করিনাই। একটু পর সুমার নাম্বার থেইক্কা মেসেজ আসছে। ফোন রিসিভ করছো না। আজকে তোমার একদিন কি আমার একদিন।এতোসব ভাবতে-ভাবতে চলে আসছি সুমার কাছে প্রায়। দুর থেইক্কা দেখা যাচ্ছে কে যেন তাকায় আছে আমার দিকে। হায় আল্লাহ!!!!! আমারে রক্ষা করো। আজকে যে আমার কি হবে?] , , , , # সুমার_কাছে আসতেই:- , , , , সুমা চিল্লাই বলে উঠলো ওই এত্তো দেরি কেন? এমন জোরে চিল্লানি দিছে যে আমি সুমাকে ভুলে গিয়ে যেন চিল্লানি নিয়ে ভাবতে শুরু করছি যে ভাবনার আর কোন শেষ হবে না। ওই কথার উত্তর দাও। >সোরি জান!!!! আর এমন হবে না।আসলে আমর ডায়রিয়া হয়ছিলো তাই আরকি।তুমি তো বুঝো যে ডায়রিয়া হলে কি হয়।(আমি) >তোমার ডায়রিয়া হয়সে আমার আগে বলনি কেন? আজকে না হয় দেখা করতাম না।(সুমা) >আরে জান আজকে না আসলে তো আপুর কছ থেইক্কা ৫০০ টাকা নিতে পারতাম না ওওও না থুক্কু আজকে তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছিলো তাই বলিনি আর কি(আমি) >কি বললা প্রথমে তুমি?আপুর কাছ থেকে টাকা নেয়ার জন্য আজকে আসছো। তার মানে তুমি আমাকে ভালোবেসে আসোনি টাকাকে ভালোবেসে আসছো।(সুমি) >প্লিজ সুমি আমাকে ভুল বুঝো না কথাটা আমি তোমাকে ম্নিতেই বলেছি। আমি তোমাকে ভালোবেসেই আসছি। তুমি কি প্রমাণ চাও।(আমি) >প্রমাণ লাগবো না আমি জানি তুমি আমাকে খুব ভালোবাসো। এইবার চলো ঘুরি একটু(সুমি) , , , [ফোন সাইলেন্ট করা ছিলো অনেক্ষণ ফোনটা পকেটে অনাদরে পরে আছে তাই একটু আদর করা মানে টিপার জন্য হাতে নিলাম। আর হাতে নিয়েই দেখি আপুর অনেকগুলো ফোন। ফোন দেখে আমি মনে-মনে ভাবছি আপু নিশ্চয় আমাকে ডির্স্টাব করার জন্য এতো বার ফোন দিছে। তাই আর কল ব্যাক করলাম না।ফোনটা অফ করে রাখলাম] , , , >চলো ফুসকা খায়?(সুমা) >ওকে(আমি) , ,, , , ফুসকা খাওয়া শেষে অনেক ঘুরাঘুরির পর বিকেলে বাসায় আসলাম। এসেই দেখি আপু গেটের সামনে দাঁড়ায় আছে। , , # আমি আপুকে দেখে বললাম:- , , >কি খবর আপু কারআজন্য গেটে দাঁড়ায় আছিস বয়ফ্রেন্ড নাকি?(আমি) >ওই কথা কম!!! আগে বল ফোন রিসিভ করছিলি না কেন? (আপু) >কেন কি হয়সে(আমি) >তুই বাসা থেকে যাওয়ার সময় বলে গেলি যে মাইর একটাও আজ মাটিতে পরবে না।এটার মানে কি? আমি তোকে নিয়ে কতটা চিন্তিত ছিলাম জানিস?(আপু) >আপু কথাটা আমি তোকে মজা করে বলছিলাম কারণ যাইতে দেরি হচ্ছে তাইআনা জানি সুমা কি করতো সেইজন্য বলছিলাম।(আমি) >এমন কথা আর কখনোও বলবি না(আপু আমাকে জঁড়ায় ধরে কাঁদো-কাঁদো কন্ঠে) >আপু তুই আমাকে এতো ভালোবাসিস?(আপু) >হুম্ম,,,ভাই আমার(আপু) সত্যিই ভাই-বোনের ভালোবাসা নি:স্বার্থ। কিন্তু আফসোস আমার কোন বড় বোন নেই।

গল্প: বন্ধু

-আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে,বেচারা শুভ্র কিচেনে নাক ডাকে। (রাফি) -হ্রামী চুপ করবি না গরম তরকারী গায়ে ফেলব।(শুভ্র) -হায়রে কি কপাল,একটা ভাল রাধুনী পাইলাম না,যারে আবার পাইলাম শুভ্রর পছন্দ হইলনা।(সৌরভ) -ওই কুত্তা তোরা থামবি।(শুভ্র) -খামোস এত্ত বড় সাহস আমার জানু শুভ্ররে চেতাস তোরা হা হা হা সবকয়টাকে গর্দান দিমু।(সুমন) -শয়তান তুই ও উহু উহু উহু যা আর বাঁচুমই না। (শুভ্র) -কেন সোনা বাঁচবি না কেন?(রাফি) -তোরা এত প্যারা দিস ক্যারে।(শুভ্র) -দোস্ত এ সপ্তাহটা পরে মরিস।(সৌরভ) -কেন আরও জ্বালাবি?(শুভ্র) -না মানে এসপ্তাহে রান্নার দায়িত্বটা তোর তাই বুঝতেই পারছিস না খেয়ে থাকতে হবে তুই মরলে। -ওরে শয়তান আমার দুঃখ দেখে মজা নিস তাই না।(শুভ্র) -জানু তুই ছাড় তো ওদের কথা দেখি কি রান্না করলি খেতে দে তো।(সুমন) -এই হ্রামী খেতে দিব মানে কি?রান্না মাত্র চাপাইছি চোখে দেখস না?(শুভ্র) -জানু এতক্ষন কি হাওয়া খাইতেছিলা চুলার পাশে,রাত ১১টা বাজে খেয়াল আছে। -তোর জানুর টুট করি।রান্না যখন হবে তখন খাবি। -আহা বেচারা শুভ্র ঘেমে একেবারে নাজেহাল।(সৌরভ) -উফফ ও মোর খোদা মোরে তুমি উঠায় নাও আর পারিনা।(শুভ্র) -বেঈমান দিল বড় বেঈমান.....ও কিরে শুভ্র তোর ফোন বাজে রে....(রাফি) -আন্টির ফোন দাড়া.... (সৌরভ) -এই হ্রামী ভাল হচ্ছেনা কিন্তু দে বলছি। (শুভ্রর মায়ের ফোন) -হ্যালো আন্টি আসসালামু ওলাইকুম,কেমন আছেন?(সৌরভ) -আলাইকুম আসসলাম,জ্বি ভাল আছি বাবা তোমরা? -এই তো আন্টি কুল....(সৌরভ) -কুল মানে? (মা) -কিছুনা আন্টি।(সৌরভ) -শুভ্র কোথায়? -আর বলবেন না আন্টি কাল এক্সাম আর উনি নাক ডাকছে। -কি শুভ্র ঘুমে? -হ্যা আন্টি। -কান ধরে ডেকে তোল। -নাহ আন্টি শেষে ঘুম ভাঙলে মেরে হালুয়া বানাবে। -কিছু বলবেনা আমি বলছি ডেকে তোল। -সত্যি আন্টি? -হুম। -শয়তানটা আমার পিছনে মারল একটা লাথি।কথা বলব সুমন আর রাফি মুখ চেপে ধরে আছে। -আন্টি উঠেনা?(সৌরভ) -আবার কান ধরে টান মার। -এই ঢুশ.... -শয়তানটা আবার লাথি মারছে।চেচিয়ে উঠলাম এবার। -এইতো আন্টি ঘুম ভাঙছে।(ফোনটা আমার দিকে ছুড়ে মেরে তিন শয়তান রুম থেকে পালাল। -হ্যা আম্মু কেমন আছ।(শুভ্র) -কেমন আছি না জানলেও চলবে।কাল তোমার এক্সাম আর তুমি ঘুমাচ্ছ ছি ছি শুভ্র। -আম্মু কাল..... -থাক তোমার লজ্জা করেনা তোমার ক্লাসমেটরা এতরাত জেগে পড়ছে আর তুমি... -আম্মু আমি.... -তোমার পকেট খরচ এবার থেকে পাঁচশত কমিয়ে দিব। -আম্মু উহু উহু উহু। -রাখছি খেয়ে নিও সময়মত। -আম্মু....... টুট টুট টুট শয়তানগুলো এবার হাঁসতে হাঁসতে ভিতরে ঢুকল।শালা দেখাচ্ছি মজা বলেই গরম খুন্তি নিয়ে এলাম বাবা মা বলে তিনটা পগার পার।অবশেষে মন খারাপ নিয়ে রান্না শেষ করলাম।খেতে বসেছি তবু শয়তান তিনটে নিন্দুকের মত রান্নার নিন্দা করছে ইচ্ছা করছে একটা একটা করে মাথায় বাড়ি মারি। খাওয়া শেষ করে শুতে যাব বালিশ নেই। হ্রামীরা এই মধ্যরাতেও জ্বালাবি। -এই সৌরভ বালিশ কোথায়?(শুভ্র) -আবে ওই মন্টু আমি কি বালিশের দোকানদার? (সৌরভ) -দোস্ত তোর বালিশ তোর অদৃশ্য রাজকুমারীর কাছে চলে গেছে।(রাফি) -শয়তান মাইর খাবি কইলাম। -জানু আমার মনে হয় বালিশটা কালোজাদু জানে কেমন ভ্যানিশ হয়ে গেছে।(সুমন) -দাড়া হ্রামী কালোজাদু বের করছি। (বলেই কয়েকটা এলো পাতাড়ী কিল ঘুশি পড়তেই বালিশ বেরিয়ে এল) অতঃপর মহাসুখে শুয়ে পড়তেই গায়ের উপর তিনটা ঠ্যাং এসে পড়ল।মু হা হা হা শয়তানগুলো চেপে মারবে দেখি।কোনভাবে উঠে নিচে গিয়ে শুয়ে পড়েছি।সেখানেও হাজির শান্তি নেই।অবশেষে চারটে একসাথে জড়িয়ে ঘুম।।। . এই হল আমার প্রানপ্রিয় খচ্চর বন্ধুগুলো। সারাদিন বাশ দিতেই থাকবে।আমিই শুভ্র,ওরা সুমন,রাফি,সৌরভ।কেউ প্রথমবার দেখলে বলবে ভাই ভাই।কিন্তু না আমরা চারজন চার জায়গায়।ভাগ্যক্রমে হোস্টেলে সিট না পেয়ে একটা মেসে উঠেছি।ইচ্ছা করলে রাধুনী কিংবা বুয়া রাখতে পারি কিন্তু সেটা করলে আমাদের আনন্দটাই মাটি হবে।চার খচ্চর এক এক সপ্তাহে এক খচ্চরের ডিউটি পড়বে অন্য তিনটে মজা নিবে।এই সপ্তাহে আমার পড়েছে।যার যে সপ্তাহ তাকে সেই সপ্তাহে সব কাজই করতে হবে।সাথে পচানী তো আছে।তবে আমি একটু বেশিই খাই।ইহার পিছনে যথেষ্ট কারন আছে।এতদিন সিংগেল থাকার পর কলেজ লাইফে এসেই প্রেমটা করে বসলাম।নতুন প্রেম করছি দোস্ত এটা খাব ওটা খাব।পকেট জিএফ খালি করবে কি তিন তিনটে হাতির বাচ্চা থাকতে।শালারা এক প্যাকেট সিগারেট কিনলে একদিনে শেষে করবে। আমার আম্মু ফোন দিলে তো কথাই নেই যতধরনের পচানী দেওয়া যায়।আজ মিথ্যে এক্সাম বলে পকেট খরচ পাঁচশত কমাল। . তবে হ্যা আমাদের জুটি কলেজ সেরা। লেখাপড়াতে ভাল না হলেও ইয়ার্কি ফাজলামিতে একেবারে এ+ পেয়ে বসে আছি।ওই তিনটা প্রেম করে স্কুল লাইফ থেকে বাটা চাপা মারে তারা সাধু যেন পকেট না ফাকা হয়।সারাদিন ফাজলামি করেও শান্তি নেই বাসায় এসে সেই একই। সত্যিই দিনগুলো ভীষন রঙিন এখন।যতই পঁচানি যে যাকে দেয় না কেন একটা ছাড়া অন্যটা অচল।কেতে বসতে শুতে একসাথে। ছেলেরা আর কিছু পারুক বা না পারুক অল্প সময়ে বন্ধুকে ক্লোজ করে নিতে জানে।যার দরুন পঁচানী খেয়ে আসছি জানি খাব। এতকিছুর পরও খুব ভাল লাগে এই হাসিমুখগুলো দেখে সত্যিই এরাই তো সব।। . আজ আমি প্রতিষ্ঠিত।একটা জব করছি আল্লাহর রহমতে।এখন আর কষ্ট করে রান্না করতে হয়না।সেই মেয়েটিকে বিয়ে করে ঘরে তুলেছি।পকেট খরচের জন্য আম্মুর কাছে হাত পাততে হয়না।সেই বালিশটাও আজ হারিয়ে যায় না।হারাবেই কেন চারটি প্রানী এখন চার জায়গায়।যে যার মত রাধুনী খুঁজে সংসারী হয়েছে।মাঝে মাঝে কনফারেন্সে আড্ডা চলে।হাজার হলেও সেই বন্ধুত্ব তো যাবে কোথায়।সবাই সুস্থ আছি। মাঝে মাঝে চারজন যখন একসাথে হই ভুলে যাই আমাদের নিজেদের বাচ্চা রয়েছে। সেই কলেজ লাইফের ইয়ার্কি শুরু করি।আজ আর টাকার অভাবে নেভি খেতে হয় না। গুল্লিফ কিংবা বেনসনের প্যাকেট সবার পকেটে থাকে।তবুও যখন একসঙ্গে নেভি চলবেই।মাঝে মাঝে মানিব্যাগটা রেখে ভাবি এই হয়ত রাফি কিংবা সুমন না হয় সৌরভ পাঁচশত টাকা সরিয়ে খেয়ে এসে বলবে দোস্ত তোর পকেট মেরেছি।হা হা হা সেগুলো সবই অতীত।ভালবাসি রে তোদের খুব ভালবাসি।সম্ভব হলে ফিরতাম সেই দিনগুলোতে।।।। . . লিখা:অন্তহীন শ্রাবন

কিউতির দিব্বাহ

এত্তগুলা কিউট কেন তুমি? মনে হয় যেন পুরোই রসগোল্লা, যেন আস্তো চিবায়ে খেয়ে ফেলি! তোমার দিকে তাকালে কেন চোখ দুটো ফিরাতে ইচ্ছে হয় না, কেন তোমার চোখে দেখলেই মনে হয় পৃথিবীটা যেন এখানেই থেমে যাক, আর শুধু আমরা দুজনেই চলতে থাকি। তোমার হাত দুটির স্পর্শে কেন এত কোমলতা লেগে থাকে যে বারবার ছুঁতে ইচ্ছে করে! কেন তোমার ঠোটের ওই হাসিতে এত মায়া লেগে থাকে! কেন শুধু তোমাতেই আটকে থাকে আমার পুরো পৃথিবী!! . জানো তোমার হাসির মাঝে কয়েকটা ধরণ আছে, যখন আমার দিকে তাকিয়ে আলতো ঠোটে একটা হাসি দেও সেই হাসিটা... যখন তোমার মন ভালো থাকে একটা মুচকি হাসি দেও সেটা... আর যখন বাচ্চাদের মত মোটা গলায় জোর স্বরে খিলখিলিয়ে হাসি দেও সেই হাসিটা... তোমার প্রত্যেকটা হাসির মাঝে আমি তোমার প্রতি প্রেমে পড়ি, যতবার দেও ততবার পড়ি, বারবার পড়ি, হাজার বার পড়ি!! . তোমার চূল গুলো যেন ঘন মেঘের থেকেও কালো, যখন তোমার খোঁপা পড়া থাকে তখন তোমার প্রেমে পড়ি, যখন তোমার সামনের দুষ্ট চুল তোমার চোখের উপর এসে পড়ে তখন তোমার প্রেমে পড়ি, যখন তুমি খোলা চুল গুলো দুই হাতে পেচিয়ে পিছনে কাটা করে রাখো তখন তোমার প্রেমে পড়ি, তারচেয়েও অধিক পড়ি তোমার চুল গুলো যখন খোলা থাকে তখন, বারবার পড়ি, হাজার বার পড়ি!! . তোমার মাঝে কেমন জানি একটা অদ্ভুত মায়া আছে, সেই মায়াজালে আমি যে কতটুকু আটকা পড়ে গেছি সেটা ভাষা দিয়ে গুছিয়ে লেখার সামর্থ্যটুকু হয়তো আমার নেই। তোমারকে প্রতিবার দেখার পর থেকে পরের বার আবার কখন দেখা হবে তার জন্য আমি যেন তীর্থের কাক হয়ে অপেক্ষা করে থাকি। তোমার কাছে তোমার চোখ দুটো সুন্দর লাগে না, কিন্তু তোমার ওই মায়াবী চোখ দুটোই যে পৃথিবীর সবথেকে সুন্দর জোড়া তা হয়তো তোমাকে কেউ কোনদিন বলেনি। তোমার চেহারার মাঝে কেমন যেন একটা নিষ্পাপ নিরীহ ভাব লাগা থাকে সবসময়, কিন্তু আমি জানি আর হ্যা একমাত্র আমিই জানি তোমার মাঝে কতটা দুষ্টামি ভরা আছে, কিন্তু সেই দুষ্টামি ভরা মেয়েটা যে পুরা একটা কিউটের ডিব্বা তা হয়তো আমার চোখ দিয়ে ছাড়া অন্য কেউ কোনদিন ভালো দেখতে পারবে না। তোমাকে নিয়ে হাজারটা ডায়রীর পাতা লিখে শেষ করা সম্ভব হবে আমার পক্ষে, কিন্তু তোমার কতটা অংশ বা কতটা বৈশিষ্ট্য সেখানে জায়গা করাতে পারবো সেটা নিয়ে সংকোচ আমার। তোমার কাছে একটাই আকুতি, যেমনটা আছো আর যেমনটা তোমাকে ভালোবেসে ছিলাম তার থেকে নিজেকে বদলে নিও না প্লিজ, তোমার তুমিত্বকে সব সময় আগলে রেখ, অন্তত আমার জন্যই নাহয়....
মেয়েঃআমি তোকে ছেড়ে অনেক দূরে চলে যাবো..... ছেলে:চুপ থাক! মেয়ে:তুই কথায় কথায় বলিস আমাকে ভালবাসিস না! ছেলে:চুপ থাক! মেয়ে:হুম।এখন তো আমার কথাও শুনতে ভালো লাগেনা.....! ছেলে:চুপ থাকতে বলসি, নইলে কানের নিচে একটা দিব!!! মেয়ে:দে।ওইটাই দে।ভালোবাসা তো দিবিনা। কানের নিচেই দে! ছেলে:চুপ করবি নাকি, সত্যি লাগাব?? মেয়ে:মেরে ফেল,আর কতো কষ্ট দিবি? ছেলে:আমি তোরে কষ্ট দেই? মেয়ে:হুম দেস!. ছেলে:তাহলে চলে যা দূরে।আর কষ্ট পেতে হবে না.....! মেয়ে:সেটাই তো চাস যে আমি দূরে চলে যাই....... ছেলে:হুম।যা ভাগ তুই! মেয়ে:রাগ উঠতেছে কিন্তু? ছেলে:ওইটার অপেক্ষায় তো আছি....... মেয়ে:মানে? ছেলে:মানে রাগলে তোকে অনেক সুন্দর লাগে।মন চায় বুকে চেপে ধরে রাখি অনন্তকাল.....। মেয়ে:তুই এতো ফাজিল কেন? ছেলে:তুই এতো ভাল তাই আমি এতো ফাজিল। এখন চুপ করে করে আমার বুকে মাথা রেখে ঘুমা........। আমি তোর নিঃশ্বাস শুনি।
meaning of life ------ লেখাঃ Abir Sadat Antim(BAFSD) . জীবনে একটা সময় নিজেকে খুব একা মনে হবে। মনে হবে আশেপাশের সবাই পর।সকলে নিজেকে ব্যাস্ত রাখবে।আপনাকে তাঁরা সময় দিতে পারবে না,হয়তো বা চাইবে না। . জীবনের সেই সময়টা কখন আসে বলা যায় না।তবে এটা নিশ্চিত কমপক্ষে একবার হলেও এই সত্যটা আপনাকে উপলব্ধি করতে হবে। . মানব প্রকৃতি খুবই জটিল।এটা যে কতটা জটিল সেটা তারাই বুঝবেন যারা ইতিমধ্যে জীবনের দৌড়ে খানিকটা হলেও হোছট খেয়েছেন। . তাদের জন্য বলা-যে দিনে আলো থাকে না,মেঘে অন্ধকার হয়ে যায় সেদিনে ছায়াও সাথে থাকে না।তাই বলে কি আপনার যাত্রা কখনো থেমে থাকে? অবশ্যই না।আপনাকে সেই সময়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে সবসময় ।তখন দুঃখ করা যাবে না। . তখন যদি দুঃখ করেন তবে আমি আপনাকে গাধা বলবো! ছোটবেলায় পড়া গল্পের গাধা যেমন তার সাথে ছায়া না থাকায় হাটে যায়নি আপনাকে আমি ঠিক সেরকম একজন বলবো! . কারণ আজ আপনি জানেন ছায়া থাকা না থাকাটা একটা সাপেক্ষিক ব্যাপার। আসল কথা আপনাকে যেকরেই হোক সেই পর্যন্ত যেতে হবে যতটা হলে আপনার 'ভিতরের আপনিটা' সন্তুষ্ট হয়;যাকে আপনারা সুন্দর করে বলুন লক্ষ্যে পৌছানো। . পরিশ্রম করে যান,প্রতিকূলতা থাকবেই। আপন মানুষ পরের মতো আচরণ করতেই পারে,হঠাৎ করেই আকাশের রংটা বদলে যেতেই পারে।আপনাকে এর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে,মেনে নিতে হবে। . প্রার্থনার সূর্য যখন ভোরে এসে সন্ধ্যার রক্তিম আকাশে মিলিয়ে যায় ঠিক সেভাবেই প্রতিদিনের ঘটনার মতো আপনার অসময়ের সব কষ্ট মেনে নিয়ে সামনে এগিয়ে চলতে হবে নিজের মতো করে।থেমে থাকা চলবে না। . অপেক্ষা?? কখনোই না।কার জন্য অপেক্ষা?? ভুলে যান! আবেগে জীবন চলে না। হ্যাঁ,চলবে;যদি আপনি সফল হোন।আবেগ তাদের জন্য যারা ইতিমধ্যে সফলতা অর্জন করেছেন। . আপনার এখন যে আবেগ সেটা স্থায়ী নয়;সময়ের সাথে আবর্তিত হয়ে এটা শুধু আপনার সময়ই নষ্ট করে যাবে। . You can do ... You should do... So,Let them go... Run and Run faster... . __Abir Sadat Antim(BAFSD)