Wednesday, December 24, 2025

"প্যারা বউ"

Writer:- Yea Sin

-এইদিকে আসো। (নিহা)

-আসতেছি,(নুয়েল)

-আসতেছি মানে।(নিহা)

-আরে বাবা, একটু দাড়াও আসতেছি।

-ওই আমি আবার কোনদিন তোমার বাবা হলাম।(নিহা)😈😈

-আরে রাগ করো কেনো,এমনি বললাম আরকি।

-ওই আমি কিসের রাগ করছি.?(নিহা)

-না থাক, বাদ দাও।

-কী বাদ দিবো,হ্যা..?(নিহা)

-তুমি কী ঝগড়া করবা, নাকি কী জন্য ডাকছো সেটা বলবা।

-কী😡, আমি ঝগড়া করি..? (নিহা)

-আরে না না, তুমি না আমি ঝগড়া করতেছি, সব দোষ আমার।

-মিথ্যা বলো কেনো,দোষ তো আমার ও আছে।(নিহা)

-তুমি না একটা প্যারা।

-উহু,প্যারা না, মহা প্যারা।(নিহা)

-ধন্যবাদ, স্বীকার করার জন্য।

-কী,আমি মহা প্যারা না।আমি তোমাকে প্যারা দিই হু,ওকে থাক তুমি আমি গেলাম।(নিহা)

এই কথা বলে নিহা ব্যাগ ঘোচাতে থাকলো।নিহা আর নুয়েল স্বামী -স্ত্রী। পারিবারিক ভাবেই তাদের বিয়ে হয়েছিল।নিহা এখন বাপের বাড়িতে যাওয়ার জন্য তৈরী হচ্ছে।পিছন থেকে নুয়েল এসে......

-হা হা হা হা,বাপের বাড়ি যাবে।আমাকে বললেই তো হয়।ঝগড়া করে যাওয়া লাগে।আর যেই ব্যাপার নিয়ে ঝগড়া করছো,মানুষ শুনলে হাসবে।(নুয়েল)

-(কথা নেই...নিহা)

-আরে শুধু শুধু সকাল বেলা প্যাঁচাল করতেছো কেনো।ব্যাগ রেখে রান্না ঘরে যাও।(এই বলে নিহার হাত থেকে ব্যাগ নিয়ে নেয় নিহা)

-এই  তুই ব্যাগ দে,(নিহা)

-তোমার কী মাথা খারাপ, সামান্য একটা ব্যাপার নিয়ে তুমি তুই তুইকারি করতেছ।

-ব্যাগ দিবেন কিনা,সেটা বলেন।(নিহা)

-শুন নিহা,সামান্য এই ব্যাপার নিয়ে কথা বাড়িয়ে লাভ নেই।যাও রান্না ঘরে যাও।

-থাক ব্যাগ লাগবেনা। (নিহা)

এই বলে নিহা বাসা থেকে বেড়িয়ে যায়।নুয়েল তো অনেক অবাক, সামান্য একটা ব্যাপার নিয়ে নিহা এইই রকম করবে তা বিশ্বাস হচ্ছে না।ব্যাগ টা ও নেয় নাই।অবশ্য বাপের বাড়ি বেশি দূরে না,যেতে ২০ মিনিট সময় লাগে।নুয়েল সকালে নাস্তা করছে।কিছি রান্না  করে নাই নিহা, এখন কী খাবে। আর কী করা দুপুরে বাইরে থেকে খেয়ে এসে ঘুমিয়ে পড়ল নুয়েল।

ঘুম থেকে উঠে দেখে,রাত ৯ টা। থেকে উঠে ফ্রেস হলো।হঠাৎ মনে হলো,আজকে তো তাদের ২য় বিবাহবার্ষিকী। নুয়েল বুজতে পারে কেনো নিহা সকালে  বাপের বাড়ি যায়।নুয়েল দেরি না করে চলে যায় তার শশুর বাড়ি।গিয়ে দেখে নিহা রুমে নেই।নুয়েল বুঝতে পারে নিহা ছাদে। তাই নুয়েল ও ছাদে যায়।গিয়ে দেখে নিহা কান্না করতেছে।নুয়েল বুঝতে পারে,নিহা হয়তো ভাবছে নুয়েল আসবেনা।তাই কান্না করতেছে।নুয়েল নিহার রাগ বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য.............

-এই তাড়াতাড়ি বাসায় চলো।(নুয়েল)

-তুমি এখানে,? আমি বাসায়  যাবো না।(নিহা)

-সকালে শুধু শুধু ঝগড়া করে এখানে আসছো।এখন আর ঝগড়া না করে, সোজা বাসায় চলো।

-আমি যাবো না বলছি যাবো না,তুমি এখান থেকে যাও।(নিহা)

-আচ্ছা, তাহলে আমি যাই।তুমি সকালে যেও( নিহাকে রাগিয়ে দেওয়ার জন্য বলে নুয়েল)

-যাও,যাও,আমি আর জীবনে ও ওই বাসায় যাবো না😡(অনেক রাগী ভাবে বলে নিহা)

নুয়েল নিহা কে আর না রাগিয়ে......

-কেক আনছো(নুয়েল)

নিহা তো শুনে অবাক।তাহলে পাগলা টার মনে আছে।

-কিসের কেক(একটু ভাব নিয়ে)

-ও হ্যা,ঠিকই তে কিসের কেক।(নুয়েল)

নিহা নুয়েলের কাছে এসে শার্ট এর কলার ধরে....

-আর কত রাগাবে আমায় (নিহা)

-আচ্ছা নিছে চলো।(নুয়েল)

-হুম চলো।

-উহু,সারা দিন আমাকে কস্ট দিছো। এখন তার সুদে-আসলে নিই(এই বলে নিহা কে জড়িয়ে ধরে নুয়েল)

-আরে এখন ছাড়,আগে সব কিছু শেষ হোক তারপর।(নিহা)

-উহু, বাকির নাম ফাঁকি।

-ব্যাপার টা বুজ।(নিহা)

-আচ্ছা, সুদ-টা এখন দাও আসল রুমপ গিয়ে দিও।(নুয়েল)

-তুমি না!এই নাও,উমমমমা(নিহা)

-ওমা,সারাদিনে মাত্র একটা।মানি না,১০ টা দিবা।

-পাগল একটা।

(৯ টা দেওয়ার পর)

-ওয়েট,এইবার এই একটা ঠোটে দিবা।(নুয়েল)

-পারবো না।

-তাহলে আমি যাই।

-এই নাও

নুয়েলের ঠোটে এখন নিহার নরম ঠোট।

#বাকিটা_ইতিহাস।

No comments:

Post a Comment